ভিউ: ৫২৪
সভাপতির বাণী

আ’উযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রজীম,
বিসামিল্লাহির রহ্‌মানির রহীম।

আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহ্‌মাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ।
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي يَفْقَهُوا قَوْلِي
আদর্শ শিক্ষা প্রদান ও চরিত্র গঠনের জন্য দ্বীন ইসলামের কোন বিকল্প নেই।
তাই অনেক অভিভাবক তাদের ছেলে মেয়েদের জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করতে ভালো পরিবেশে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্ধান করেন।

আর সেই লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে আমরা জেনারেল ও আরবি শিক্ষার সমন্বিত কারিকুলামে “দ্যা হলি কুরআন ইসলামিক স্কুল” মহান আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে-বাচ্চারা যেন দ্বীন ইসলামকে আঁকড়ে পুরো জীবন পরিচালিত করে ইহকালে ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে পারে।
আমাদের বিশ্বাস অভিভাবকগণ অনেক আশা নিয়ে তাদের সন্তানদের শিক্ষা দান করার দায়িত্ব আমাদের উপর ন্যস্ত করেন। এ প্রত্যাশা পূরণের জন্য আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ নিবেদিত প্রাণ। ছাত্র-ছাত্রীদের বেশ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। এ জন্য আমরা অভিভাবকদের নিকট থেকেও সহযোগিতা আশা করি। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ইসলামের জ্ঞান, নিয়ম-নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ, দেশাত্ববোধ ও শৃঙ্খলাবোধ জাগিয়ে তোলার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদেরকে ধার্মিক, চরিত্রবান, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করা।

সত্যিকার বিদ্যানুরাগী ছাত্রছাত্রীদের নিকট এ নিয়মগুলো মোটেও কঠিন নয়, বরং এ নিয়মগুলো জীবনকে সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে গড়ে তুলতে সহায়ক। তাই স্কুলের নিয়ম- নির্দেশনা পালনে ছাত্রছাত্রীদের যত্নবান হতে হয়। এ জন্য রয়েছে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা। নিয়মিত পড়াশুনা, খেলাধুলা, ক্লাশে যোগদান, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও কো-কারিকুলাম চর্চা ছাড়াও পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সহপাঠীদের সাথে বন্ধুত্বসূলভ সম্পর্ক গড়ে তোলা। প্রতিষ্ঠানের সুনাম-সুখ্যাতি অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া। প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের মনে করে জিনিসপত্রের প্রতি যত্নশীল হওয়া ইত্যাদি।
হযরত নুমান ইবনে বশির রাজি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘মুমিনদের পরস্পরের ভালোবাসা, অনুগ্রহ, হৃদ্যতা ও আন্তরিকতার উদাহরণ হচ্ছে একটি দেহ বা শরীরের মতো। যখন দেহের কোনো একটি অঙ্গ আহত বা আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তখন সারা দেহের সবগুলো অঙ্গই নিদ্রাহীন হয়ে পড়ে এবং কষ্ট-যন্ত্রণায় জরাগ্রস্ত ও কাতর হয়ে পড়ে।’ (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

মহান আল্লাহ্‌ পাক পবিত্র কুরআনে বলছেন,
“তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে দৃড়ভাবে ধরো, পরস্পর পৃথক হয়ো না।”
(সূরা আল-ইমরান : আয়াত ১০৩)
তাই আসুন, আমরা সকলে এই জেনারেশনকে এমনভাবে তৈরি করার চেষ্টা করি, যেন তারা এই অধঃপতন মুসলিম উম্মাহকে একত্রিত করে, এই পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিয়ে আল্লহ্‌র বিধান কায়েম করতে পারে…
আমীন।।
পরিশেষে, দ্যা হলি কুরআন ইসলামিক স্কুলের সফলতা ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হোক- মহান আল্লাহ্‌র কাছে এই কামনা করেই শেষ করছি।

মো: মকবুল হোসেন
সভাপতি
দ্যা হলি কুরআন ইসলামিক স্কুল
কালিতলা (সারদেশ্বরী স্কুল গেটের বিপরীত পার্শ্বে গলির ভেতরে ৩ নং ভবন), সদর, দিনাজপুর।